তমলুক (Purbamedinipur.in):দীর্ঘদিনের সমস্যার অবসান। অবশেষে পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা হলো কুমোরআড়া জুনিয়র হাইস্কুলে। তমলুকের বিশিষ্ট শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কবির আলি খানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ওই স্কুলে একটি (Nandakumar) আধুনিক ম…
তমলুক (Purbamedinipur.in): দীর্ঘদিনের সমস্যার অবসান। অবশেষে পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা হলো কুমোরআড়া জুনিয়র হাইস্কুলে। তমলুকের বিশিষ্ট শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কবির আলি খানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ওই স্কুলে একটি (Nandakumar) আধুনিক মানের জল পরিশ্রুতকরণ যন্ত্র (ফিল্টার) বসানো হলো। শুক্রবার এই ব্যবস্থা চালু হতেই খুশির হাওয়া স্কুলের পড়ুয়া ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে।
তমলুকের কুমোরআড়া জুনিয়র হাইস্কুল এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। বর্তমানে প্রায় ১৫০ জন পড়ুয়া সেখানে পড়াশোনা করে। পড়াশোনার মানোন্নয়নের পাশাপাশি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এবং সাংস্কৃতিক চর্চাতেও নজরকাড়া সাফল্য রয়েছে এই স্কুলের। তবে পাহাড় প্রমাণ সমস্যার নাম ছিল— পানীয় জল। দীর্ঘ দিন ধরে স্কুলে কোনও ফিল্টার না থাকায় খুদে পড়ুয়াদের সরাসরি নলকূপের জল খেতে হতো। আর এতেই পেটের রোগসহ নানা শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ছিল শিশুদের।
| স্কুলের তরফ থেকে চিকিৎসককে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে ছাত্রীরা |
স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা করিশমা সাহিন সম্প্রতি তমলুকের পরিচিত শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কবির আলি খানের কাছে স্কুলের এই জলকষ্টের কথা তুলে ধরেন। বাচ্চাদের কষ্টের কথা শুনে বিন্দুমাত্র দেরি করেননি ওই চিকিৎসক। নিজের উদ্যোগেই কয়েক হাজার টাকা মূল্যের একটি আধুনিক ওয়াটার ফিল্টার স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি। আজ সেই ফিল্টারটি স্কুলে সফলভাবে বসানো হয়েছে।
স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা করিশমা সাহিন বলেন:
“আমাদের স্কুলে পড়াশোনা বা সাংস্কৃতিক চর্চার অভাব নেই, কিন্তু সুস্থ পানীয় জলের তেমন কোনও ব্যবস্থা ছিল না। চিকিৎসক কবির আলি খানের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করতেই তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। আজ বাচ্চাদের মুখে হাসি দেখে আমরা সত্যিই আনন্দিত।”
এদিন স্কুলে ফিল্টারটি চালু হওয়ার পর বাচ্চাদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ দেখা যায়। এখন থেকে আর সরাসরি আয়রনযুক্ত নলকূপের জল নয়, বরং পরিশ্রুত ঠান্ডা জল পাবে তারা। স্থানীয় বাসিন্দারাও চিকিৎসকের এই মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এরই পাশাপাসি চিকিৎসকের এহেন মানবিক উদ্যোগের পর যারপরনাই খুশি স্কুলের পড়ুয়ারা। তাঁরা চিকিৎসকের বাড়ি গিয়ে তাঁর এই সহযোগিতার জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়ে এসেছেন।
স্কুলে খুশির মুহূর্তের ভিডিওটি দেখে নিন :
No comments