মহিষাদল (Purbamedinipur.in) : বাসে উঠেছিলেন পরীক্ষা দিতে যাবেন বলে। কিন্তু মাঝপথে লঙ্কাকাণ্ড! ভুলবশত বাসের মধ্যেই বদলে গেল ব্যাগ। সঙ্গে নেই অ্যাডমিট কার্ড, নেই পেন-পেন্সিলও। যখন বুঝতে পারলেন (Purba Medinipu)), তখন চোখে সর্ষে ফুল …
মহিষাদল (Purbamedinipur.in) : বাসে উঠেছিলেন পরীক্ষা দিতে যাবেন বলে। কিন্তু মাঝপথে লঙ্কাকাণ্ড! ভুলবশত বাসের মধ্যেই বদলে গেল ব্যাগ। সঙ্গে নেই অ্যাডমিট কার্ড, নেই পেন-পেন্সিলও। যখন বুঝতে পারলেন (Purba Medinipu)), তখন চোখে সর্ষে ফুল দেখার অবস্থা তমলুকের কোয়েল দাসের। শেষ পর্যন্ত মহিষাদল থানার পুলিশের মানবিক ও দ্রুত তৎপরতায় কেবল অ্যাডমিট কার্ড ফিরে পাওয়াই নয়, নির্বিঘ্নে পরীক্ষাও দিলেন ওই ছাত্রী।
তমলুক
কলেজের
স্নাতক
দ্বিতীয় বর্ষের
ছাত্রী
কোয়েলের তৃতীয়
সেমেস্টারের পরীক্ষা চলছে।
তাঁর
সিট
পড়েছে
হলদিয়া
চৈতন্যপুরের বিবেকানন্দ মিশন
মহাবিদ্যালয়ে। মঙ্গলবার সকালে
পরীক্ষা দেওয়ার
উদ্দেশ্যে তমলুকের রাধাবল্লভপুর থেকে
৯টা
নাগাদ
বাসে
ওঠেন
ওই
ছাত্রী। মহিষাদল স্টপেজে এসে খেয়াল
করেন,
তাঁর
ব্যাগটি নেই!
পরিবর্তে অন্য
একটি
ব্যাগ
পড়ে
আছে।
বুঝতে
পারেন,
অজান্তেই কোনো
সহযাত্রীর সঙ্গে
তাঁর
ব্যাগটি অদলবদল
হয়ে
গিয়েছে।
অসহায়
কোয়েল
তৎক্ষণাৎ বিষয়টি
জানান
মহিষাদল থানার
কর্মরত
ট্রাফিক ইন-চার্জ রানা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সময়
নষ্ট
না
করে
ট্রাফিক ইন-চার্জ বাসের নম্বর
ধরে
মালিকের সঙ্গে
যোগাযোগ করেন।
জানা
যায়,
ব্যাগটি তমলুকের দিকে
চলে
গিয়েছে। এরপর
সিভিক
ভলান্টিয়ার রাজু
মণ্ডলকে দায়িত্ব দেওয়া
হয়
ব্যাগটি উদ্ধার
করে
আনার
জন্য।
একদিকে
যখন
ব্যাগ
উদ্ধারের চেষ্টা
চলছে,
অন্যদিকে তখন
ঘড়ির
কাঁটা
বলছে
পরীক্ষার সময়
আসন্ন।
ছাত্রীটির ভবিষ্যৎ নষ্ট
হওয়ার
আশঙ্কায় পুলিশ
কর্মীরা সরাসরি
যোগাযোগ করেন
বিবেকানন্দ মিশন
মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের সঙ্গে।
পুলিশের কাছ
থেকে
গোটা
ঘটনার
বিবরণ
শুনে
অধ্যক্ষ কোয়েলকে অ্যাডমিট কার্ড
ছাড়াই
পরীক্ষা হলে
বসার
অনুমতি
দেন।
পরীক্ষা চলাকালীনই সিভিক
কর্মী
রাজু
মণ্ডল
বাইক
ছুটিয়ে
তমলুক
থেকে
ব্যাগ
উদ্ধার
করে
নিয়ে
আসেন
এবং
পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে
কোয়েলের হাতে
তা
তুলে
দেন। "ব্যাগ হারিয়ে বড়
বিপদে
পড়েছিলাম। মহিষাদল থানার
পুলিশের এই
সহযোগিতা না
থাকলে
আজ
পরীক্ষাটাই দেওয়া
হতো
না,"
কৃতজ্ঞতা ঝরে
পড়ল
কোয়েলের গলায়। মহিষাদল থানার
পুলিশের এই
পেশাদারিত্ব ও
মানবিকতার মেলবন্ধনে একদিকে
যেমন
হারিয়ে
যাওয়া
ব্যাগ
ফিরল,
তেমনই
রক্ষা
পেল
এক
পরীক্ষার্থীর শিক্ষাবর্ষ।

No comments