Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Popular Posts

Breaking News:

latest

HS Exam2026 : নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, সঙ্গে সৌজন্য: উচ্চ-মাধ্যমিকে পুলিশের নতুন নজির মহিষাদলে

মহিষাদল: আজ বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা। তবে চলতি বছরটি শিক্ষা ইতিহাসে একটু আলাদা, কারণ এই প্রথম উচ্চ-মাধ্যমিকে চালু হলো ‘সেমিস্টার’ পদ্ধতি। নতুন এই ব্যবস্থার প্রথম দিনে পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ …

 


মহিষাদল: আজ বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা। তবে চলতি বছরটি শিক্ষা ইতিহাসে একটু আলাদা, কারণ এই প্রথম উচ্চ-মাধ্যমিকে চালু হলো ‘সেমিস্টার’ পদ্ধতি। নতুন এই ব্যবস্থার প্রথম দিনে পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কাটাতে এবং উৎসাহ দিতে এক অনন্য নজির গড়ল মহিষাদল থানার পুলিশ।

​এ দিন সকাল থেকেই মহিষাদলের প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ছিল পুলিশের কড়া নিরাপত্তা। কিন্তু সেই গম্ভীর উর্দিধারীদের মধ্যেই ধরা পড়ল এক মানবিক ছবি। মহিষাদল থানা এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে ঢোকার মুখে পরীক্ষার্থীদের হাতে পুলিশের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় জলের বোতল ও কলম। পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে পুলিশের এই ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ’ আচরণে খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবক— সকলেই।

এক নজরে পরিসংখ্যান:

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, এ বার পূর্ব মেদিনীপুরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরাই কয়েক কদম এগিয়ে।

  • মোট পরীক্ষার্থী: ৪১,৫৬৯ জন।
  • ছাত্রী: ২৩,২৬৩ জন।
  • ছাত্র: ১৮,৩০৬ জন।
  • মোট পরীক্ষা কেন্দ্র: ৭১ টি।

​জেলায় ছাত্রীদের সংখ্যা ছাত্রদের তুলনায় প্রায় ৫ হাজার বেশি। শুধু মহিষাদল নয়, গোটা জেলা জুড়েই নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের প্রবেশপথে বসানো হয়েছে ‘মেটাল ডিটেক্টর’। পরীক্ষা চলাকালীন কোনও পড়ুয়া যদি রাস্তায় যানজটে আটকে পড়ে, তবে খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশি তৎপরতায় তাকে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

​উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার জেলা যুগ্ম-আহ্বায়ক সমীর ভৌমিক জানান, “২০২৩ সালের পরীক্ষার্থীরা ২০১৭ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল। সে সময় বয়সসীমা বেঁধে দেওয়ায় গত বছর পরীক্ষার্থী কিছুটা কম থাকলেও, এ বছর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে মেডিকেল টিম ও পর্যাপ্ত পুলিশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

​মহিষাদল থানার এই মহতী উদ্যোগ প্রসঙ্গে জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, “পরীক্ষার্থীরা আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে ও দুশ্চিন্তামুক্তভাবে কাটে, তার জন্যই এই ছোট প্রয়াস। যে কোনও সমস্যায় আমরা ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর।”

​শহর থেকে গ্রাম— এ দিন সর্বত্রই কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে পালিত হলো প্রথম সেমিস্টারের প্রথম দিন। একদিকে মেটাল ডিটেক্টর আর সিসি ক্যামেরার নজরদারি, অন্যদিকে পুলিশের হাতে গোলাপ বা কলম— সব মিলিয়ে এক নতুন অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকল পূর্ব মেদিনীপুর।

এক ঝলকে দেখে নিন আরও কিছু মুহুর্ত :







No comments