Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Popular Posts

Breaking News:

latest

Purba Medinipur : জানেন কি, পূর্ব মেদিনীপুরের ৮৮ হাজার পরিবারের ভাগ্য বদলে যাচ্ছে আজ ?

তমলুক (Purbamedinipur.in) : আক্ষরিক অর্থেই ‘লক্ষ্মীলাভ’ পূর্ব মেদিনীপুরে। মঙ্গলবার জেলায় উন্নয়নের যে নতুন জোয়ার এল, তাতে একাধারে ঘুচল গৃহহীনদের দীর্ঘ অপেক্ষা, অন্য দিকে কৃষিজীবী মানুষের হাতে এল আগামীর সুরক্ষা কবচ। 'বাংলার বাড়…

 


তমলুক (Purbamedinipur.in) : আক্ষরিক অর্থেই ‘লক্ষ্মীলাভ’ পূর্ব মেদিনীপুরে। মঙ্গলবার জেলায় উন্নয়নের যে নতুন জোয়ার এল, তাতে একাধারে ঘুচল গৃহহীনদের দীর্ঘ অপেক্ষা, অন্য দিকে কৃষিজীবী মানুষের হাতে এল আগামীর সুরক্ষা কবচ। 'বাংলার বাড়ি' থেকে 'শস্য বিমা'— একগুচ্ছ প্রকল্পের সুবিধা উপভোক্তাদের হাতে সরাসরি পৌঁছে দিয়ে রাজ্য সরকার বুঝিয়ে দিল, প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষা করাই এখন প্রশাসনের পাখির চোখ। মেদিনীপুরের ঘরে ঘরে পাকা বাড়ির স্বপ্ন এবং চাষের খেতে আধুনিকতার ছোঁয়া— সব মিলিয়ে এদিন জেলায় বইল এক পশলা স্বস্তির বাতাস।
​রাজ্য সরকারের নিজস্ব তহবিলে শুরু হওয়া ‘বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ)’ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা হয়েছে জেলা জুড়ে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পূর্ব মেদিনীপুরের ৫৫,৫২৪ জন উপভোক্তা ইতিমধ্যে ৬৬৬ কোটি ২৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার অনুদান পেয়েছেন। মঙ্গলবার দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনায় জেলায় নতুন করে ৮৮,৯০৫ জন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০,০০০ টাকা করে সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য প্রত্যেক উপভোক্তা মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে পাবেন।
​চাষের ক্ষতি সামাল দিতে জেলার কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ‘বাংলার শস্য বিমা’র (খরিফ ২০২৫) চেক। এগরা-১ এবং রামনগর-১ ব্লকের ৬ জন কৃষককে প্রতীকী হিসেবে মোট ৬৫,১৩৪ টাকা দেওয়া হলেও, গোটা জেলায় এই মরশুমে ২৯৬৪ জন কৃষক মোট ৯২ লক্ষ টাকার বিমার টাকা পাচ্ছেন।

​পাশাপাশি, কৃষি কাজে আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে ‘ফার্ম মেকানাইজেশন’ প্রকল্পের আওতায় এদিন কৃষকদের হাতে ট্রাক্টর-সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জেলার মোট ১৬৩২ জন কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে চলেছেন।
​জেলার ভূমিহীন মানুষদের জন্য এদিন পাট্টা বিলি কর্মসূচিও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রশাসন সূত্রে খবর, এদিন জেলার ১২৬ জন ভূমিহীন কৃষকের হাতে কৃষি জমির পাট্টা এবং ১৭ জন ব্যক্তির হাতে বাস্তু পাট্টা তুলে দেওয়া হয়েছে।

​প্রকল্পের টাকা পেতে কোনও সমস্যা হলে বা অভিযোগ জানাতে রাজ্য সরকারের তরফে হেল্পলাইন নম্বরও জারি করা হয়েছে। উপভোক্তারা সরাসরি ৯১৩৭০ ৯১৩৭০ নম্বরে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যোগাযোগ করতে পারবেন। এ ছাড়াও পঞ্চায়েত হেল্পলাইন নম্বর (১৮০০-৮৮৯-১৪৫১) চালু রাখা হয়েছে।

​প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, “স্বচ্ছতার সঙ্গে সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। জেলাজুড়ে যে বিপুল সংখ্যক মানুষ আজ উপকৃত হলেন, তা গ্রামীণ অর্থনীতির বুনিয়াদকে আরও শক্ত করবে।”


No comments