Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Popular Posts

Breaking News:

latest

Panskura : সরস্বতী পুজোয় প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে খুন বিবাহিত শিক্ষিকা, পরে আত্মহত্যার চেষ্টা প্রেমিকের !

পাঁশকুড়া (Purbamedinipur.in): বাগদেবীর আরাধনার সকালে খাতা-পেন নয়, প্রেমের ‘রক্তাক্ত’ পাণ্ডুলিপি লেখা হলো পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় (Panskura)। স্কুলে যাওয়ার নাম করে প্রেমিকের হাত ধরে বেরিয়েছিলেন গৃহবধূ। কিন্তু সেই যাত্রার শেষ হ…

 



পাঁশকুড়া (Purbamedinipur.in): বাগদেবীর আরাধনার সকালে খাতা-পেন নয়, প্রেমের ‘রক্তাক্ত’ পাণ্ডুলিপি লেখা হলো পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় (Panskura)। স্কুলে যাওয়ার নাম করে প্রেমিকের হাত ধরে বেরিয়েছিলেন গৃহবধূ। কিন্তু সেই যাত্রার শেষ হলো হোটেলের বন্ধ ঘরে, নিথর শরীরে। অভিযোগ, প্রেমিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর নিজে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ওই যুবক। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে রামতারকের একটি বেসরকারি হোটেলে।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতার নাম শ্রাবণী ভুইয়া ঘড়া। মেচগ্রাম এলাকার একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা তিনি। বাড়িতে পাঁচ বছরের কন্যাসন্তান এবং স্বামী থাকলেও প্রতিবেশী যুবক বীরবাহু মান্নার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। সরস্বতী পুজোর সকালে স্কুলে যাওয়ার নাম করে ঘর থেকে বেরোন শ্রাবণী। কিন্তু গন্তব্য স্কুল নয়, ছিল রামতারকের ‘লাবণ্য হোটেল’।

​হোটেলের ৩০৮ নম্বর ঘরে দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় কর্মীদের। খবর দেওয়া হয় তমলুক থানায়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে দেখে, বিছানায় পড়ে রয়েছে শিক্ষিকার নিথর দেহ।
​ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন বীরবাহু। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, পাঁশকুড়ায় নিজের মাসির বাড়িতে গা ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত। সেখানে হানা দিতেই চরম নাটকীয়তা! গ্রেফতারি নিশ্চিত বুঝে পুলিশের সামনেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বীরবাহু। আপাতত তমলুকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পুলিশি পাহাড়ায় চিকিৎসাধীন তিনি।
​জেলা পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানান, ​"প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, শ্বাসরোধ করেই ওই মহিলাকে খুন করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে মাসির বাড়ি থেকে পাকড়াও করতে গেলে সে বিষ খায়। জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের কথা স্বীকার করেছে। সুস্থ হলেই তাকে নিয়মমাফিক গ্রেফতার করা হবে।"

​সূত্রের খবর, শ্রাবণীর স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। সেই সুযোগেই প্রতিবেশী বীরবাহুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তাঁর। কিন্তু বসন্তের উৎসবে কেন এমন মর্মান্তিক পরিণতি? নিছকই সম্পর্কের টানাপোড়েন না কি নেপথ্যে অন্য কোনো ব্ল্যাকমেলিং ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

​সরস্বতী পুজোর দিনে এক শিক্ষিকার এমন পরিণতিতে শোকের ছায়া মেচগ্রাম এলাকায়। মায়ের ফেরার অপেক্ষায় থাকা পাঁচ বছরের শিশুটি এখন জানেই না, কোনো 'সহজ পাঠ' আর তার মা পড়াতে আসবে না।


No comments