Mahishadal : ঘড়ির কাঁটায় ১১টা বাজলেই অধীর অপেক্ষায় থাকে কচিকাঁচারা। মহিষাদলের লক্ষ্যা হাইস্কুলের করিডোরে কান পাতলেই এখন শোনা যাচ্ছে শুদ্ধ উচ্চারণের ধ্বনি। লক্ষ্য একটাই—জড়তা কাটিয়ে নিজেকে প্রকাশ করা। আর এই লড়াইয়ের নেপথ্য কারিগর এক…
Mahishadal : ঘড়ির কাঁটায় ১১টা বাজলেই অধীর অপেক্ষায় থাকে কচিকাঁচারা। মহিষাদলের লক্ষ্যা হাইস্কুলের করিডোরে কান পাতলেই এখন শোনা যাচ্ছে শুদ্ধ উচ্চারণের ধ্বনি। লক্ষ্য একটাই—জড়তা কাটিয়ে নিজেকে প্রকাশ করা। আর এই লড়াইয়ের নেপথ্য কারিগর এক অদম্য তরুণ, বিশ্বনাথ গোস্বামী।
সোমবার এই স্কুলেই সম্পন্ন হলো তাঁর প্রশিক্ষণ শিবিরের ৫০তম অধ্যায়। মাত্র দুই বছরেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাংস্কৃতিক চর্চায় যেন এক ঝোড়ো ‘অর্ধশত রান’ পূর্ণ করল তাঁর সংগঠন ‘বিশ্বকলা কেন্দ্র’।
সতীনাথ মুখোপাধ্যায় ও ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো দিকপাল শিল্পীদের সান্নিধ্য এবং বঙ্গবাসী কলেজ থেকে প্রাপ্ত প্রথাগত শিক্ষা—সবটুকু উজাড় করে দিচ্ছেন জেলার নতুন প্রজন্মের জন্য। আর তাঁর এই নিরলস লড়াইয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি কলকাতার মহাজাতি সদন থেকে তিনি ভূষিত হয়েছেন ‘সংস্কৃতির সৈনিক’ সম্মানে।
এক নজরে দুই বছরের সফরনামা:
নিজের এই সফর নিয়ে বিশ্বনাথ জানান, প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে সাংস্কৃতিক মনস্ক করে তোলাই তাঁর জীবনের ব্রত। শুধু প্রশিক্ষণ নয়, এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী লড়াই—যার মাধ্যমে জেলার প্রতিটি পড়ুয়া নিজের প্রতিভাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে পারে।
আরও কিছু বিশেষ মুহুর্তের ছবি আপনাদের জন্য :






No comments